থানায় মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত বাধন ও ভিকটিম শিশু একে অন্যের প্রতিবেশী। বিভিন্ন সময় ৫ বছরের শিশু ছেলে ইয়াকুবকে লম্পট বাধন প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেতো। ঘটনার দিন গত ১৬মার্চ দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে বাধন ইয়াকুবকে কুকুরে ছানা দেখানোর কথা বলে দক্ষিণ মেন্দা শাহপাড়া গ্রামের অপর প্রতিবেশী আফছার আলী ও রিয়াজুল এর বাড়ীর চিপা গলির ভিতর নিয়ে যায়।
সেখানে নেওয়ার পর বাধন শিশুর পড়নের হাফ প্যান্ট খুলে জোর পূর্বক বলাৎকার করার চেষ্টা করে। তখন ওই শিশুর চিৎকারে এক বৃদ্ধা এগিয়ে আসলে তাদেরকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় বাধন দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে শিশু ইয়াকুব বাড়ীতে এসে তার মায়ের নিকট ঘটনার বিবরণ খুলে বলে। এরপর ওই শিশুর অভিভাবকসহ অভিযুক্ত বাধনের বাড়ীতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বাধন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলে তার ভুল হয়েছে, সে এই ধরণের কাজ আর করবে না বলে অঙ্গীকার করে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সুষ্ঠু বিচার না পেয়ে গত ১৮ মার্চ থানায় হাজির হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন নির্যাতনের শিকার ইয়াকুবের মা।
ঘটনার বিষয় ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিকে আটক করে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

0 Comments